১।৩বিসিএলএ এ্যাক্ট এবং ৪ বিসিএলএ এ্যাক্ট
প্রশ্নঃ ৩বিসিএলএ এ্যাক্ট এবং ৪ বিসিএলএ এ্যাক্ট এর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করুন?
উত্তরঃ ৩বিসিএলএ এ্যাক্ট এবং ৪ বিসিএলএ এ্যাক্ট এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নে ছকের মাধ্যমে আলোচনা করা হলোঃ
৩বিসিএলএ অ্যাক্ট | ৪ বিসিএলএ এ্যাক্ট |
১। সূর্যাস্ত হতে সূর্যোদয় সময়ের মধ্যে অপরের সংঘটিত হইতে হবে | ১। দিন ও রাত্রি যে কোন সময় অপরাধ কার্য সংগঠিত হতে হবে |
২। আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করতে হইলে পুলিশ সুপারের অনুমতি নিতে হয় না | ২। আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করতে হইলে পুলিশ সুপারের অনুমতি নিতে হয় |
৩। আসামিকে অবশ্যই পূর্বে সাজা প্রাপ্ত হতে হবে | ৩। আসামিকে অবশ্যই পূর্বে সাজা প্রাপ্ত হওয়ার প্রয়োজন হয় না। |
৪। অপরাধ বাংলাদেশের পৌর এলাকার যে কোন স্থানের সংঘটিত হইতে হবে | ৪। অপরাধের অধিক্ষেত্রে শিল্প এলাকাসহ সারা বাংলাদেশ |
৫। ধারাঃ ৩ বেঙ্গল ক্রিমিনাল ল আমেন্ডমেন্ট আইন ১৯৪২ | ৫। ধারাঃ ৪ বেঙ্গল ক্রিমিনাল ল আমেন্ডমেন্ট আইন ১৯৪২ |
৬। সাজার পরিমাণ ৩(তিন) মাস কারাদণ্ড। | ৬। সাজার পরিমাণ ৬(ছয়) মাস কারাদণ্ড। |
৭। আসামীর অপরাধ পুলিশ কে প্রমাণ করতে হবে | ৭। আসামি যে নির্দোষ তা আসামিকেই প্রমাণ করতে হবে |
৮। আসামির নিকটে প্রাপ্ত জব্দকৃত আলামত পুলিশকে প্রমাণ করতে হবে। | ৮। জব্দকৃত আলামতের মালিকানা আসামিকেই প্রমাণ করতে হবে |
৯। আসামের নিকটে যে কোন মারাত্মক যন্ত্রপাতি থাকতে হবে যা দ্বারা আসামি অপরাধ সংগঠন করতে পারে | ৯। আসামীর নিকটের চোরাই সন্ধিগ্ধ বা শিল্পজাত দ্রব্য থাকতে হবে |
১০। সূর্যাস্ত হতে সূর্যোদয় সময়ের মধ্যে ঘরভাঙ্গার যন্ত্রপাতি লইয়া সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাফেরা কালে গ্রেফতার করা যায়। | ১০। দিন ও রাত্রীর যেকোন সময়ে শিল্প এলাকায় শিল্পজাত দ্রব্য লইয়া বহন করে এবং সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারিলে গ্রেফতার করা যায়। |
দন্ডবিধি
২। প্রশ্নঃ বল পূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতায় পরিণত হয় আলোচনা করুন।
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ- বল পূর্বক গ্রহণ নিম্নলিখিত তিনটি ক্ষেত্রে দস্যুতায় পরিণত হয় তাহা আলোচনা করা হলো-
১। বল পুর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী যদি তাহার শিকারের সম্মুখে উপস্থিত থাকে,
২। অপরাধকারী ব্যক্তি যদি তার শিকার বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা আঘাত বা অবৈধ অবরোধের ভয় দেখায় বলপূর্বক গ্রহণ করে এবং
৩। ভয় দেখাইয়া ভীত ব্যক্তি কে বলপূর্বক গৃহীত বস্তু প্রদান করিতে বাধ্য করেন তাহলে সেই ক্ষেত্রে বলপর্বক গ্রহণ দস্যুতায় পরিণত হয়।
উদাহরণঃ রহিম রাজপথে করিমের সাক্ষাৎ পাইয়া করিমকে পিস্তল দেখাইয়া করিমের অর্থ দাবি করে ,ফলে করিম তার অর্থ সমর্পণ করে এই ক্ষেত্রে রহিম, করিমকে তাৎক্ষনিক আঘাতের ভীতি প্রদর্শন করিয়া করিমের অর্থ বলপূর্বক গ্রহণ করিয়াছে এবং উক্ত বলপূর্বগ্রহ গ্রহণ সম্পাদন কালে রহিম, করিমের সম্মুখে উপস্থিত রয়েছে । অতএব রহিম দস্যুতা অনুষ্ঠান করিয়াছে বলিয়া গণ্য হবে।
আলোচ্য উদাহরণে বলপুর্বক গ্রহণ দস্যুতায় পরিণত হইয়াছে। দন্ডবিধি আইনের ৩৯০ ধারা
৩। প্রশ্নঃ চোরাইমাল কি? চোরাইমাল রাখার শাস্তি আলোচনা করুন।
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ চোরাইমালঃ চোরাই অর্থ মালিকের সম্মতি ব্যতিরেকে কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থনান্তর করা। আর মাল বলিতে সম্পত্তিকে বুঝাই। তাই চোরাইমাল বলিতে যে, সম্পত্তি চুরি, বলপূর্বক গ্রহণ, দস্যুতা, ডাকাতির মাধ্যমে লুন্ঠিত হয়েছে বা প্রতারণা বা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে মালিকের নিকট থেকে হস্তান্তরিত হয়েছে বা কেহ আত্নসাৎ করিয়াছে এরুপ কোন সম্পত্তিকে চোরাইমাল বলে। দন্ডবিধি আইনের ৪১০ ধারা।
চোরাইমাল রাখার শাস্তিঃ যদি কোন ব্যক্তি চোরাইমাল জেনে শুনে নিজ হেফাজতে রাখে বা গ্রহন করে তাহালে সে ব্যক্তি দন্ডবিধি আেইনের ৪১১ ধারায় ৩ বছর পযন্ত কাারাদন্ডে দন্ডিত হবেন।
প্রশ্নঃ বল পূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতায় পরিণত হয় আলোচনা করুন।
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ- বল পূর্বক গ্রহণ নিম্নলিখিত তিনটি ক্ষেত্রে দস্যুতায় পরিণত হয় তাহা আলোচনা করা হলো-
১। বল পুর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী যদি তাহার শিকারের সম্মুখে উপস্থিত থাকে,
২। অপরাধকারী ব্যক্তি যদি তার শিকার বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা আঘাত বা অবৈধ অবরোধের ভয় দেখায় বলপূর্বক গ্রহণ করে এবং
৩। ভয় দেখাইয়া ভীত ব্যক্তি কে বলপূর্বক গৃহীত বস্তু প্রদান করিতে বাধ্য করেন তাহলে সেই ক্ষেত্রে বলপর্বক গ্রহণ দস্যুতায় পরিণত হয়।
উদাহরণঃ রহিম রাজপথে করিমের সাক্ষাৎ পাইয়া করিমকে পিস্তল দেখাইয়া করিমের অর্থ দাবি করে ,ফলে করিম তার অর্থ সমর্পণ করে এই ক্ষেত্রে রহিম, করিমকে তাৎক্ষনিক আঘাতের ভীতি প্রদর্শন করিয়া করিমের অর্থ বলপূর্বক গ্রহণ করিয়াছে এবং উক্ত বলপূর্বগ্রহ গ্রহণ সম্পাদন কালে রহিম, করিমের সম্মুখে উপস্থিত রয়েছে । অতএব রহিম দস্যুতা অনুষ্ঠান করিয়াছে বলিয়া গণ্য হবে।
আলোচ্য উদাহরণে বলপুর্বক গ্রহণ দস্যুতায় পরিণত হইয়াছে। দন্ডবিধি আইনের ৩৯০ ধারা
প্রশ্নঃ বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও প্রাপ্ত বয়স্ক বলিতে কি বুঝ?
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ অপ্রাপ্ত বয়স্কঃ ২০১৭ সালের বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনের ২(১) ধারা মোতাবেক ২১ বছরের নিচে যে কোন পুরুষ ও ১৮ বছরের নিচে যেকোন নারীকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক বুঝায়।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ২(১) ধারা।
প্রাপ্ত বয়স্কঃ ২০১৭ সালের বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনের ২(৩) ধারা মোতাবেক বিবাহের ক্ষেত্রে ২১ বছর পূর্ণ করেছেন এমন কোন পুরুষ এবং ১৮ বছর পূর্ণ করেছেন এমন কোন নারীকে বৃঝায়।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ২(৩) ধারা।
প্রশ্নঃ হুলিয়া কাকে বলে? হুলিয়া জারির পদ্ধতি আলোচনা করুন।
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৮৭ ধারা মোতাবেক যদি কোন আদালত কোন পলাতক বা ফেরারী আসামিকে নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে কমপক্ষে ৩০ দিনের মধ্যে বিজ্ঞ আদালতে হাজির হওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতের বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহর যুক্ত যে পরোয়ানা বা ঘোষণা পত্র ইস্যু করা হয় তাকে হুলিয়া বলে । ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৮৭ ধারা পি আর বি নিয়ম ৪৭২।
হুলিয়া জারির পদ্ধতিঃ
প্রথমে আলোচনা করা যাক যে, যে ব্যক্তির নামে হুলিয়া পরোয়ানা ইস্যু হয়েছে প্রথমেই আমরা সেই আসামির বাড়িতে যাব এবং আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা করব কিন্তু আসামি যদি পলাতক থাকে এবং গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হয় সেই ক্ষেত্রে আমরা নিম্নলিখিত উপায়ে হুলিয়া জারি করব।
১। পলাতক ফেরারি হুলিয়াকৃত আসামি যেখানে বাস করে সেই শহর বা গ্রামের কোন প্রকাশ্য স্থানে হুলিয়া প্রকাশ্য ভাবে পাঠ করিতে হইবে।ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৮৭(২) (ক) ধারা, পি আর বি নিয়ম ৪৭২।
২। হুলিয়াকৃত ব্যক্তি সাধারণত যেখানে বাস করে সেই বাড়ি অথবা শহরে বা গ্রামের কোন প্রকাশস্থানে হুলিয়া লটকাইয়া দিতে হবে ।ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৮৭(২)(খ) ধারা, পি আর বি নিয়ম ৪৭২।
৩। হুলিয়ার এক কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকাইয়া দিতে হবে। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৮৭(২)(গ) ধারা, পি আর বি নিয়ম ৪৭২।
ঘোষণা প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে ঘোষণাটি একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে প্রকাশিত হয়েছে তা হইলে এই ধারার শর্ত যে পূরণ হয়েছে এবং ঘোষণাটি যে, উক্ত দিনে প্রকাশিত হয়েছে তা চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য হবে। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৮৭(৩) ধারা, পি আর বি নিয়ম ৪৭২।
প্রশ্নঃ বিশেষজ্ঞের মতামত কি? বিশেষজ্ঞের মতামত কখন প্রাসঙ্গিক?
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা মোতাবেক যখন বিদেশী আইনের কোন প্রশ্নে অথবা বিজ্ঞান চারুকলার প্রশ্নে অথবা হস্তাক্ষর বা টিপসহির সনাক্তকরণের প্রশ্নে আদালতকে কোন অভিমত বা মতামত গ্রহণ করতে হয় তখন অনুরূপ বিদেশি আইন অথবা বিজ্ঞান বা চারুকলার প্রশ্নে অথবা হস্তাক্ষর বা টিপসহির সনাক্তকরণের প্রশ্নে যে সকল ব্যক্তি গণ বিশেষ পারদর্শী তাদেরকে বলা হয় বিশেষজ্ঞ। যেমন- ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, রসায়নবিদ, সার্ভেয়ার, হস্তলেখা বিশারদ, আঙ্গুলাংক বিশারদ, শিল্পী, বৈজ্ঞানিক,সাইবার সিকিউরিটি বিশরদ,বিদেশি আইন প্রণেতা হইল বিশেষজ্ঞ বা এক্সপার্ট(expert)।আর এই বিবিশেষজ্ঞ বা এক্সপার্ট(expert)গণ যখন কোন অভিমত বা মতামত প্রদান করেন তখন তাহাকে বিশেষজ্ঞের অভিমত বা বিশেষজ্ঞের মতামত বলা হয় ।১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা।
বিদেশি আইন অথবা বিজ্ঞান বা চারুকলার প্রশ্নে অথবা হস্তাক্ষর বা টিপসহির সনাক্তকরণের প্রশ্নে বিশেষজ্ঞের অভিমত বা মতামত ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা মোতাবেক প্রাসঙ্গিক।
বিশেষজ্ঞের মতামত সাক্ষ্য আইনে ৪৫, ৪৬,৪৭ ধারা মোতাবেক প্রাসঙ্গিক।
প্রশ্নঃ তদন্ত ও অনুসন্ধানের মধ্যে প্রার্থক্য আলোচনা করুন?
প্রশ্নঃ ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০৯ ধারা ও ১১০ ধারার মধ্যে পার্থক্য কিকি আলোচনা করুন?
প্রশ্নঃ বাল্যবিবাহ কাকে বলে ?বাল্য বিবাহের শাস্তি কি?
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ২(৪) ধারা মোতাবেক বাল্যবিবাহ বলিতে এইরূপ বিবাহ যার কোন এক কক্ষ বা উভয় পক্ষ অপ্রাপ্তবয়স্ক, আর এই অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় যে বিবাহ হয় তাকে বাল্যবিবাহ বলে।বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ২(৪) ধারা
বাল্যবিবাহের শাস্তির ধারা নিম্নে আলোচনা করা হলো-
১। যদি কোন প্রাপ্তবয়স্ক কোন নারী বা পুরুষ বাল্যবিবাহ করেন তাহলে তিনি অনুধিক দুই বৎসর কারাদণ্ড বা অনদিক এক লক্ষ টাকা দন্ড বা উভই দণ্ডে দণ্ডিত হবে ।অর্থ দন্ড অনাদায়ে আর ও তিন মাস কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ৭(১)) ধারা।
২। আবার যদি অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন নারী বা পুরুষ বাল্যবিবাহ করলে তিনি অনধিক এক মাসের আটকাদেশ বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন এর ৭(২)) ধারা।
৩। ৭(২) ধারার অধিনে বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে শিশু আইন ২০১৮ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন এর ৭(৩)) ধারা।
৪। পিতা মাতা অভিভাবক বা অন্য কোন ব্যক্তি আইনগতভাবে ভাবে বা আইন বইীভূতভাবে কোন অপপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির উপর প্রকৃত সম্পন্ন হয়ে বাল্যবিবরণ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে কোন কাজ করলে অথবা করার অনুমতি দিলে বা নির্দেশ দিলে অথবা স্বীয় অবহেলার কারণে বিবাহিত বন্ধ করতে ব্যর্থ হলে তা হবে একটি অপরাধ তার জন্য তিনি দুই বছর ও কমপক্ষে ছয় মাস কারাদণ্ড বা পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থ দন্ড বা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হবেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে অনধিক তিন মাস কারাদণ্ডে দন্ডিত হবে।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন এর ৮ ধারা।
৫। আবার যদি কোন ব্যক্তি বাল্যবিবাহ সম্পাদনা বা পরিচালনা করলে তিনি অনুর্দ্ধ দুই বছর ও কমপক্ষে ছয় মাস কারাদণ্ডে বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা অনাদায়ে তিন মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন এর ৯ ধারা।
প্রশ্নঃবাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে যে বিবাহ নিবন্ধক বা কাজি বালবিবাহ নিবন্ধন করবেন তার শাস্তি কি? বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে কোন ক্ষেত্রে বাল্য বিবাহ অপরাধ হবেনা।
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ যদি কোন বিবাহ নিবন্ধক বাল্য বিবাহ নিবন্ধন করেন তাহলে তিনি অনধিক দুই বছর ও অন্যুন ৬ মাস কারাদন্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড বা উভয় দণ্ডায় দণ্ডিত হবেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে অনধিক তিন মাস কারাদণ্ডে দন্ডিত হবেন এবং তাহার লাইসেন্স বা নিয়োগ বাতিল হইবে।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন এর ১১ ধারা।
যে ক্ষেত্রে বাল্য বিবাহ বলে গণ্য হবেনা তাহা আলোচনা করা হইল-
বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনের ১৯ ধারা মোতাবেক বিধি দ্বারা নির্ধারিত কোন বিশেষ প্রেক্ষাপটে অপ্রাপ্ত বয়স্কের সর্বপ্রথম স্বার্থ আদালতের নির্দেশ এবং পিতা মাতা বা প্রযোজ্যক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতিক্রমে বিধি তারা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করিয়া বিবাহ হইলে, বাল্যবিবাহ অপরাধ বলে গণ্য হবে না |
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ১৯ ধারা।
প্রশ্নঃ হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতন বলিতে কি বুঝায়। নির্যাতন ও হেফাজতের মৃত্যু নিবারণ আইনের অপরাধ ও শাস্তি আলোচনা করুন?
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ হেফাজতে মৃত্যুঃ ২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন এর ২(৭) ধারা মোতাবেক হেফাজতে মৃত্যু অর্থ সরকারি কোন কর্মকর্তার হেফাজতে কোন ব্যক্তির মৃত্যু আবার হেফাজতে মৃত্যু বলিতে অবৈধ আটক আদেশ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক গ্রেপ্তার কালে কোন ব্যক্তির মৃত্যুকে নির্দেশ করবে । কোন মামলার সাক্ষী হোক বা না হোক জিজ্ঞাসাবাদে মৃত্যুও হেফাজতে মৃত্যুর অন্তর্ভুক্ত হবে।
২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন এর ২(৭) ধারা
নির্যাতনঃ-নির্যাতন অর্থ কষ্ট হয় এমন ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এতদব্যতিত-
(ক) কোন ব্যক্তি বা অপর কোন ব্যক্তির কাছে হইতে তথ্য বা স্বীকারোক্তি আদায়ে
(খ) সন্দেহজনক অথবা অপরাধী কোন ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদানে
(গ) কোন ব্যক্তি অথবা তার মাধ্যমে অপর কোন ব্যক্তিকে ভয় ভীতি দেখানো হইলে
( ঘ) বৈষম্যের ভিত্তিতে কারো প্ররোচনা বা উস্কানি কারো সম্মতিক্রমে অথবা নিজ ক্ষমতা বলে কোন সরকারি কর্মকর্তা অথবা সরকারি ক্ষমতা বলে এইরুপ কর্মসাধন নির্যাতন হিসাবে গণ্য হইবে।
আবার সাধারনভাবে নির্যাতন বলিতে দৈহিক বা মানসিকভাবে আঘাত করাকে নির্যাতন বলে। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন এর ২(৭) ধারা।
২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনের অপরাধ সমূহ নিম্নে আলোচনা করা হলো-
২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৩(১) ধারা মোতাবেক কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে নির্যাতন করিলে তাহা অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৩(১) ধারা
কোন ব্যক্তি নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৩(১)) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ—(ক) সাধনে উদ্যোগী হন; (খ) সংঘটনে সহায়তা ও প্ররোচিত করেন; অথবা (গ) সংঘটনে ষড়যন্ত্র করে তাহা হইলে এই আইনের অধীনে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৩(২) ধারা।
নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে কৃত অপরাধের দায়ভার অপরাধীকে ব্যক্তিগতভাবে বহন করিতে হইবে।২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৩(৩) ধারা।
২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনের শাস্তি আলোচনা করা হইল-
(১) যদি কোন ব্যক্তি নিরাপদ হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনের ১৩ (১) ধারার অপরাধে দোষি প্রমানিত হয় তাহলে তিনি অন্যুন পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অন্যুন পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং ইহার অতিরিক্ত ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে, ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন।২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৫(১) ধারা।
(২) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তিকে নির্যাতন করেন এবং ওই নির্যাতনের ফলে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে নির্যাতনকারী নিরাপদ হেফাজতে মৃত্যু ও নিবারণ আইনের ১৩(১) ধারা অনুযায়ী অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন। এইজন্য তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অন্যুন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন এবং উহার অতিরিক্ত ২ লক্ষ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন।নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনের ১৫(২) ধারা।
(৩) যদি কোন ব্যক্তি নিরাপদে হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৩ এর দুই ধারার অধীনে ২৬ হয় তাহলে তিনি অন্যুন দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অন্যুন বিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৫(৩) ধারা।
(৪) এই আইনের অধীনে কোন অপরাধের জন্য সাধারণ কোন ব্যক্তিকে দণ্ড ঘোষণার দিন থেকে ১৪ দিনের মধ্যে অত্র আইনের ধারা ১৫(১),১৫(২),১৫(৩) এ বর্ণিত অর্থ বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে। এইরুপ আবশ্বিকতা পূরণ ব্যতীত এই আইনের আওতায় কোন অপরাধের দন্ডের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না। ২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ১৫(৪) ধারা।
প্রশ্নঃ অসদাচরণ বলিতে কি বুঝায়? কর্তব্য সম্পাদন কালে কোন কোন কার্যক্রম অসদাচরণের পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হবে আলোচনা করুন?
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ অসদাচরণঃ আমারা জানি অসদাচারণ হলো খুব খারাপ আচরণ, বা অসঙ্গত আচরণ বা কর্তব্য অবহেলা সহ বিভিন্ন ধরনের অন্যায় মুলক আচরণ। তাই আইনের ভাষায় অসদাচারণ বলিতে যে সকল আচরণ চাকরির শৃঙ্খলার জন্য হানিকর বা শুভকর নয় সেই সকল আচরণকে বুঝায়।
আবার সাধারণ ভাষায় সরকারি কর্মচারীর আচরণ বিধির পরিপন্থী কার্যকলাপ সমূহ বা সরকারি কর্মচারীর
আচরণবিধির পরিপন্থী কার্যক্রম সমূহ কে অসদাচরণ বলে।
দি পুলিশ অফিসার্স বিশেষ বিধানাবলী অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এর ২(খ) ধারা ও সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ২০১৮ এর ২(খ) বিধি।
**** কর্তব্য সম্পদান কালে কোন কোন কার্যক্রম ও সদাচরণের পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত
হবে তাহা আলোচনা করা হলো-
সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ২০১৮ এর ২(খ) বিধি অনুযায়ী নিন্মোক্ত কার্যকলাপ অসদাচারণ এর অন্তর্ভুক্ত হবে-
১.উর্ধ্তন কর্তৃপক্ষের আইন সম্মত বা বৈধ আদেশ অমান্যকরণ।
২. কোন আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত সরকারি আদেশ, বিজ্ঞপ্তি এবং সরকারী নির্দেশনার প্রতি অবজ্ঞা করা।
৩.কর্তব্যের চরম অবহেলা বা গাফেলতি করা।
৪.কর্মকর্তার নিকট কোন কর্মচারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা বা তুচ্ছ অভিযোগ আনয়ন করা।
**** আবার নিম্নোক্ত কার্যক্রম ও অসদাচরণের অন্তর্ভুক্ত হবে-
১. কর্তব্যচুতি-
২. উপযুক্ত কতৃপক্ষের বৈধ আদেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা-
৩. ছুটিতে অতিবাস করা-
৪. ভীরুতার অপরাধে অপরাধী হওয়া-
৫.পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামিকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা
৬.কাউকে অন্যায় ভাবে গালি দেওয়া-
৭. ঘুষ বা উৎকোচ গ্রহণ করা-
৮. কাউকে মারপিট করা অসদাচরণের শামিল ।
সরকারী কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা বিধিমালা ২০১৮ এর ২(খ) বিধি ও ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ২৯ ধারা।
প্রশ্নঃ মানিল্ন্ডারিং কাকে বলে? মানিলন্ডারিং কিভাবে করা হয় ? মানিল্ন্ডারিং সম্পৃক্ত অপরাধ কোন গুলি ? মানিলন্ডারিং অরাধের শাস্তি কি? মানিলন্ডারিং মামলা কে তদন্ত করিতে পারে আলোচনা করুন?
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ মানিল্ন্ডারিং (Money loundering)ঃ Money অর্থ টাকা আর loundering অর্থ পরিস্কার করা। তাহল এক সাথে মানিলন্ডারিং অর্থ হলো টাকা পরিস্কার করা। সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে জড়িত অর্থকে বৈধ করারর প্রক্রিয়া কে মানিলন্ডারিং বলে । এই প্রক্রিয়ায় অবৈধ অর্থ প্রাপ্তির উৎস গোপন করা হয়।
বিভিন্ন সম্পৃক্ত অপরাধের মাধ্যমে অবৈধপথে অর্জনকৃত অর্থকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৈধ করার যে, পদ্ধতি তাহাই মানিলন্ডারিং।
অন্যভাবে বলা যায় যে, সম্পদের উৎস গোপন করে, সেই সম্পদের অংশ বা পুরোটাই রূপান্তরিত করে বা বৈধ জায়গায় বিনিয়োগ করে, যাতে বিনিয়োগকৃত সম্পদ থেকে অর্জিত আয় বৈধ বলে মনে হয় তখন তাকে মানি লন্ডারিং বলে।
সাধারণত, এক খাত থেকে অর্থ অন্য খাতে স্থানান্তরিত হয় এবং একই অর্থ অন্য খাতে এমনভাবে স্থানান্তরিত হয় যে মূল উত্স সনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে অবৈধ উৎস খুঁজে বের করা সম্ভব হয় না। মানি লন্ডারিং হল লেনদেন চক্রের মাধ্যমে অবৈধ বা কালো টাকাকে বৈধতা বা সাদা করার একটি প্রক্রিয়া। অন্য কথায়, সংগৃহীত অর্থের উৎস গোপন করা এবং সময়ে সময়ে বৈধ আয় হিসাবে উল্লিখিত তহবিল স্থানান্তর করা। অর্থাৎ ব্যাংকের মাধ্যমে ডিডি, টিটি, এমটি বানিয়ে বা বিভিন্ন নামে অ্যাকাউন্ট খুলে অন্যত্র বিনিয়োগ করে বিভিন্ন অবৈধ উপায়ে যে অর্থ আসছে তাকে বৈধ করার প্রক্রিয়াকে মানি লন্ডারিং বলে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধণী/২০১৫) এর ২(ফ)ধারা।
মানিলন্ডারিং কিভাবে করা হয় আলোচনা করা হইল-
মানি লন্ডারিং সাধারণত তিনটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
(ক). সংযোজন (PLASMENT)-
যখন একটি অপরাধমূলক কার্যকলাপের আয় প্রথমবারের জন্য আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবর্তিত হয়, তখন এটিকে প্লেসমেন্ট বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যখন চুরি, ডাকাতি, চোরাচালান বা ঘুষ থেকে অর্থ ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়, তখন তাকে PLASMENT-বলে। অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে জমি ক্রয়, বাড়ি বা গাড়ি ক্রয়, শেয়ার ক্রয় ইত্যাদির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আর্থিক ব্যবস্থায় অবৈধ অর্থ প্রবেশের প্রক্রিয়াকে স্থান নির্ধারণ করা হয়।
(খ). স্তরবিন্যাস ( LAYERING)-
এই প্রক্রিয়ায় জটিল লেনদেনের মাধ্যমে জমাকৃত অর্থ বিভিন্ন স্তরে স্থানান্তরিত হয়। অর্থের উৎস লুকানোর জন্য এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। যেমন একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি অস্তিত্বহীন ব্যাঙ্কে অর্থ স্থানান্তর করা, বিদেশে টাকা পাঠানো, ভ্রমণকারীদের চেকে রূপান্তর করা, বিভিন্ন নামে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য শাখায় অর্থ স্থানান্তর বা জমা করা হয়।
(গ). পুনঃস্থাপন বা একীকরণ( INTEGATION )-
যদি স্তরবিন্যাস সফল হয়, তাহলে অবৈধ অর্থটি এমনভাবে ব্যবহার করা হয় যাতে এটিকে বৈধভাবে অর্জিত বলে মনে হয়। এভাবেই পাচারকৃত অর্থ অর্থনীতিতে পুনঃপ্রবর্তিত হয়। যেমন অবৈধ টাকা দিয়ে কেনা জমি বিক্রি করা এবং সেই টাকা দিয়ে আবার জমি কেনা বা বাড়ি, গাড়ি, বীমা পলিসি বারবার বাতিল ও নবায়ন করা ইত্যাদি।
কোনগুলি সম্পৃক্ত অপরাধ আলোচনা করা হইলঃ
সম্পৃক্ত অপরাধ বা প্রিডিকেট অপরাধ ঃ- সসম্পৃক্ত অপরাধ বা প্রিডিকেট অপরাধ অর্থ নিম্নোক্ত অপরাধ, যার মধ্যে লন্ডারিং বা দেশের অভ্যন্তরে বা দেশের বাইরে লেনদেনের মাধ্যমে অর্জিত কোনো অর্থ বা সম্পত্তি পাচারের প্রচেষ্টা জড়িত, যথা:
(1) দুর্নীতি ও ঘুষ;
(2) মুদ্রা জাল;
(3) নথি জালিয়াতি;
(৪) চাঁদাবাজি;
(5) জালিয়াতি;
(6) জালিয়াতি;
(7) অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা;
(8) অবৈধ মাদক ও মাদকদ্রব্য পাচার;
(9) চুরি এবং পণ্যের অন্যান্য অবৈধ ব্যবসা;
(10) অপহরণ, অবৈধ আটক এবং জিম্মি করা;
(11) হত্যা, গুরুতর শারীরিক ক্ষতি;
(12) নারী ও শিশু পাচার;
(13) চোরাচালান;
(14) দেশীয় ও বিদেশী মুদ্রা পাচার;
(15) চুরি, ডাকাতি, দস্যুতা বা জলদস্যুতা , ছিনতাই
(16) মানব পাচার বা কোনো ব্যক্তিকে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোনো অর্থ বা মূল্যবান জিনিসপত্র গ্রহণ বা গ্রহণ করার চেষ্টা করা;]
(17) যৌতুক;
(18) চোরাচালান ও শুল্ক অপরাধ;
(19) কর অপরাধ;
(20) মেধা সম্পত্তি লঙ্ঘন;
(২১) সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অর্থায়ন;
(22) জাল বা লঙ্ঘনকারী পণ্য উত্পাদন;
(23) পরিবেশগত অপরাধ;
(24) যৌন হয়রানি
(25) শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে বাজারের সুবিধা গ্রহণ করা এবং পুঁজিবাজার সম্পর্কিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জনসাধারণের কাছে প্রকাশের আগে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার জন্য বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা (ইনসাইডার ট্রেডিং এবং মার্কেট ম্যানিপুলেশন);
(26) সংগঠিত অপরাধ বা সংগঠিত অপরাধী গোষ্ঠীতে অংশগ্রহণ;
(27) ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি; এবং
(28) এই আইনের উদ্দেশ্যে সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা [বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট] কর্তৃক ঘোষিত অন্য কোন সম্পর্কিত অপরাধ। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধণী/২০১৫) এর ২(শ)ধারা।
মানিলন্ডারিং শাস্তিঃ
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধণী/২০১৫) এর ৪ ধারা অনুযায়ী শাস্তি নিম্নেরুপ আলোচনা করা হইলঃ
(১) এই আইনের উদ্দেশ্যে, মানি লন্ডারিং একটি অপরাধ বলে গণ্য হবে৷ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(১) ধারা।
(২) যদি কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং এর অপরাধ করেন বা মানিলন্ডারিং এর অপরাধে প্রচেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করেন, তবে তিনি অনূর্ধ্ব ৪(চার) বছর এবং অনধিক ১২ (বার) মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ) বছর এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুণ মূল্যের অতিরিক্ত বা ১০(দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যা বেশি হয়, জরিমানা
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে, অনাদায়ী জরিমানার পরিমাণ বিবেচনায় আদালত অতিরিক্ত কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ধারা।
(৩) আদালত, কোন জরিমানা বা জরিমানা ছাড়াও, মানিলন্ডারিং সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা সংশ্লিষ্ট অপরাধী ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের পক্ষে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিতে পারে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(৩) ধারা
(৪) যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধ করে বা কোনো অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা সহায়তা করে, তাহলে উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবং অপরাধের সাথে জড়িত সম্পত্তির মূল্যের দ্বিগুণের কম নয়। অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যেটি বেশি, জরিমানা করা হবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করা হবে।তবে শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত সত্তা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে, আদালত অনাদায়ী অর্থের পরিমাণ বিবেচনা করে সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(৪) ধারা।
(৫) সংশ্লিষ্ট অপরাধে অভিযুক্ত বা দোষী সাব্যস্ত হওয়া মানিলন্ডারিং এর জন্য অভিযুক্ত বা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পূর্বশর্ত হবে না। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(৫) ধারা।
মানিলন্ডারিং কে তদন্ত করতে পারবে আলোচনা করা হলো-
এই আইনের কোন অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ কোন কিছু না থাকলে
(অ)দফা (শ) এ বর্ণিত সম্পৃক্ত অপরাধ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট আইনে ক্ষমতা প্রদানকারী সংস্থাঃ তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল সম্পৃক্ত অপরাধ বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক তদন্ত যোগ্য তা বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কর্তৃক তদন্ত করতে হবে।
(আ) সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট(বিএফআইঊ) কতৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত উপদফা(অ) এ উল্লেখিত এক বা একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করিতে পারে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২(ঠ) ধারা।
৳3,400.00 ৳3,950.00


In stock
Only 7 left
- 3 Cup Rice Cooker (2-3 persons serving)
- Thermostat For Precision Control
- Thermal Fuse to Protect unit from burn out
- Aluminum cooking pan ensures faster cooking and consumes lesser oil
- Big and smooth surface of cast heater conduct heat efficiency
- Easy to operate , One touch selector button
- Convenient side plug
- keeps rice warm up to 5 hours
প্রশ্নঃ সড়ক পরিবহন আইনের কোন কোন অপরাধের জন্য একজন পুলিশ অফিসার মোটর গাড়ি চালককে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে আলোচনা করুন
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ১১০ ধারায় একজন কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার নিম্নলিখিত অপরাধের ক্ষেত্রে মোটর গাড়ির চালককে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন তাহা আলোচনা করা হইল-
১। যদি কোন মোটর যানের চালক রেজিস্ট্রেশন ব্যতীত মোটরযান চালাইয়া সড়ক পরিবহন আইনের ১৬ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন তাহলে তাকে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিনা পরো্যানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৭২ ধারা।
২।যদি কোন ব্যক্তি ভুয়া রেজিস্ট্রেশন ব্যবহার করে মোটর যান চালায় এবং ভুয়া রেজিস্ট্রেশন প্রদর্শন করিয়া সড়ক পরিবহন আইনের ১৭ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন তাহলে তাকে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৭৩ ধারা
৩। যদি কোন ব্যক্তি ফিটনেস সনদ ব্যতীত মোটরযান চালাইয়া সড়ক পরিবহন আইনের ২৫ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন ,তাহলে তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৭৫ ধারা।
৪। যদি কোন ব্যক্তি অনুসারে রোড পারমিট ব্যতীত মোটরযান চালাইয়া সড়ক পরিবহন আইনের ২৮ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন , তাহলে তাকে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৭৭ ধারা।
৫। যদি কোন ব্যক্তি মোটরযানের বাণিজ্যিক ব্যবহার সংক্রান্ত অপরাধ করিয়া সড়ক পরিবহন আইনের ৩১ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন তাহলে তাকে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিনাপরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৭৯ ধারা
৬। যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত কোন মোটরযানের কারিগরি বিনিদ্দেশ অমান্য করিয়া মোটরযান চালাইয়া সড়ক পরিবহন আইনের ৪০ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন তাহলে তাহাকে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিনা
পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৮৪ ধারা ।
৭। যদি কোন ব্যক্তি অতিরিক্ত ওজন বহন করিয়া মোটরযান চালাইয়া সড়ক পরিবহন আইনের ৪৩ ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন তাহলে তাকে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৮৬ ধারা
৮। যদি কোন ব্যক্তি পরিবেশ দূষণকারী ঝুঁকিপূর্ণ ইত্যাদি মোটরযান চালায় তাহলে তাকে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৮৯ ধারা ।
৯। যদি কোন ব্যক্তি মোটরযান চলাচলের সাধারণ নিদেশাবলী লঙ্ঘন করিয়া মোটরযান চালায় তাহলে তাকে কর্ব্যরত পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৯২(১) ধারা।
১০। যদি কোন ব্যক্তি ওভারলোডিং বা নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে মোটরযান চালায় তার ফলে দুর্ঘটনায় কারো জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতিসাধন হয় তাহলে তাহাকে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করিতে পারিবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ৯৮ ধারা ।
১১। যদি কোন ব্যক্তি মোটরযান চালিয়ে কাউকে আহত ও প্রাণহানি ঘটনোর অপরাধ করেন তাহলে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার উক্ত চালককে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন আইনের ১০৫ ধারা ।
সড়ক পরিবহন আইনের ১১০ ধারা
পিআরবি নিয়ম ৩১৬
Panasonic 4-Jar Super Mixer Grinder (MX-AC400)
Product ID 103998 ৳11,200.00 ৳12,700.00 In stock Only 46 left

ক্রয় করি https://shorturl.at/gwXZ7
ADS
প্রশ্নঃ ভিসিএনবি কাহাকে বলে? কয়টি অংশে বিভক্ত আলোচনা করুন?
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ -১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ১২ ধারা এবং পিআরপি নিয়ম ৩৯১ মোতাবেক গ্রামের অপরাধ, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যাদি যে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হইয়া থাকে তাহাকেই ভিসিএনবি বা গ্রাম্য অপরাধ নোট বহি বলে। পুলিশ আইনের ১২ধারা, পিআরবি নিয়ম ৩৯১।
১। Crime Register( অপরাধীর রেজিস্টার)ঃ ১৯৪৩ সালের পিআরবি নিয়ম ৩৯৩ মোতাবেক বিপি নম্বর ৭৮ বাংলাদেশ ফরম নম্বর ৫২৮১ তে এলাকার পেশাগত অপরাধীদের বিস্তারিত তথ্য এই অংশে লিপিবদ্ধ করা হয়। পিআরবি নিয়ম ৩৯৩ ।
২।` Conviction Register(সাজা প্রাপ্ত রেজিস্টার)ঃ ১৯৪৩ সালের পিআরবি নিয়ম ৩৯৪ মোতাবেক বি পি ফরম নং ৭৯ বাংলাদেশ ফরম নম্বর ৫২৮২ তে গ্রাম এলাকার সাজা প্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাজার পরিমাণ এবং অপরাধের বিবরণ এই অংশে বিস্তারিত লিপিবদ্ধ করা হয়। পিআরবি নিয়ম ৩৯৪।
৩। Village History( গ্রামের তথ্য তালিকা)‘ঃ ১৯৪৩ সালের পিআরবি নিয়ম ৪০০ মোতাবেক বিপি ফরম নম্বর ৮০ বাংলাদেশ ফরম নম্বর ৫২৮৩ তে গ্রামের বিশেষ কোন অপরাধের প্রবণতা দেখা দিলে তার বিস্তারিত বিবরণ এই অংশে লিপিবদ্ধ করা হয়।পিআরবি নিয়ম ৪০০।
৪। History Sheet(ইতিবিত্ত রেজিস্টার)ঃ১৯৪৩ সালের পিআরবি নিয়ম ৪০১ মোতাবেক বিপি ফরম নম্বর ৮১ বাংলাদেশ ফরম নম্বর ৫২৮৪ তে গ্রাম এলাকার চুরি, ডাকাতি, দস্যুতা,রাহাজানি, ছিনতাই, সাংঘাতিক সিঁধেল চুরি ইত্যাদি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী এবং অপরাধের ইতিহাস এই রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়। পিআরবি নিয়ম ৪০১ ।
৫। Convicted and Suspected Register (দণ্ডপ্রাপ্ত এবং সন্দেহযুক্ত ব্যক্তিদের রেজিস্টার)ঃ ১৯৪৩ সালের পিআরবি নিয়ম ৪০৫ মোতাবেক বিপি ফরম ৮৩ বাংলাদেশ ফরম নম্বর ৫৩৭৩ এ দণ্ডপ্রাপ্ত এবং সন্দেহযুক্ত ব্যক্তিদের নামির তালিকা এই রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নামির তালিকা লাল কালি দিয়া এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের নামের তালিকা কালো কালি দিয়া এই রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়।পিআরবি নিয়ম ৪০৫।
মুল্য -৩০৩০/= টাকা

- 1 Year Warranty
- Function: Analog
- Strap Material: Mineral Glass
- Water Resistance: 50m
Posted in পিআরবি
প্রশ্নঃ গুরুদন্ড ও লঘুদন্ডের মধ্যে প্রাথক্য আলোচনা করুন?
Posted on by srpkxyz
উত্তরঃ গুরুদন্ড ও লঘুদন্ডের মধ্যে নিম্নে ছকের মাধ্যমে প্রাথক্য আলোচনা করা হইলঃ
গুরুদন্ড | লঘদন্ড |
১। ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ৭ ধারা ও পিআরবি নিয়ম ৮৫৭ মোতাবেক গুরুদন্ড বলিতে (১) চাকরি হতে বরখাস্তকরণ, (২) অপসারণ, (৩) পদাবনতি, (৪) বেতন বৃদ্ধি স্থগিতকরণ, (৫) পদোন্নতি স্থগিতকরণ,(৬)ব্লাক মার্ক প্রদান (৭) বেতন কর্তন ইত্যাদী শাস্তিকে গুরুদন্ড বলে। | ১। ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ৭ ধারা ও পিআরবি নিয়ম ৮৫৭ মোতাবেক লঘুদন্ড বলিতে ১) সতর্ককরণ করা (২) তিরস্কার প্রদান করা,(৩) অতিরিক্ত ড্রিল প্রদান করা,(৪) ফেটিগ ডিউটি প্রদান করা,(৫) আটক বা নজরবন্দী করা ইত্যাদী শাস্তিকে লঘ দন্ড |
২। গুরুদন্ড প্রদান করিতে হইলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রসিডিং বা বিভাগীয় মামলা রুজু করিতে হয়। পিারবি নিয়ম ৮৬১ | ২। লঘুদন্ড প্রদান করিতে হইলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রসিডিং বা বিভাগীয় মামলা রুজু করিতে হয় না। |
৩। গুরুদন্ডের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। | ৩।গুঘুদন্ডের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না। |
৪।গুরুতর অপরাধের জন্য গুরুদন্ড প্রদান করা হয় | ৪। লঘু অপরাধের জন্য লঘুদন্ড প্রদান করা হয়। |
৫। গুরুদন্ড ইংরেজিতে Minor Punisment | ৫। লঘুদন্ড ইংরেজিতে Major Punishment |